মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

কক্সবাজার জেলার মৎস্য সম্পদ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের বিবরণঃ

 

কক্সবাজার জেলার সাধারন তথ্যঃ

১। জেলার মোট আয়তন                    ঃ ২,৪৯১.৮৬ বর্গ কিলোমিটার।

২। জনসংখ্যা                                ঃ ২২,৮৯,৯৯০ জন (২০১১খ্রিঃ)।

৩। উপজেলা                                 ঃ ০৮ (আট) টি।

৪। ইউনিয়ন                                  ঃ ৭২ টি।

৫। পৌরসভা                                 ঃ ৪ টি।

 

কক্সবাজার জেলার মৎস্য সম্পদঃ

মৎস্য সম্পদের বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্য্যের দিক থেকে কক্সবাজার অত্যমত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ। বিসত্মীর্ণ বঙ্গোপসাগরের বিপুল লবণাক্ত জলরাশির পাশাপাশি উপকূলীয় অর্ধ-লবণাক্ত পানি এবং আভ্যমত্মরীণ জলাশয়ের স্বাদু পানির সম্মিলিত উপস্থিতির ফলে এ জেলা সব ধরনের মাছের বিচরণক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।

 

কক্সবাজার জেলায় মৎস্য সম্পদ সম্পর্কিত উপাত্তঃ           

  1. পুকুর ও দিঘী                                      ঃ ১৮,১১৬টি (৫,৬১৪.৯৮ একর)।
  2. বাগদা চিংড়ি খামার (সর্বমোট)                  ঃ ৩,৮৮৭ টি (৯১,৯৪৬.৭৪ একর)।
  1. মৎস্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন চিংড়ি খামারঃ ৭,০০০ একর।
  2. খাস খতিয়ানভূক্ত চিংড়ি খামারঃ ২৫,০৭৪.৯৫ একর।
  1. অর্ধ-নিবিড় বাগদা চিংড়ি খামার                ঃ ০৬ টি (৩১.৯৬ একর)।
  2. বাগদা চিংড়ি উৎপাদনের হার                   ঃ  ১) সাধারন খামারে = ১৫০-২০০ কেজি/একর (বার্ষিক)।

              ২) অর্ধ-নিবিড় খামারে = ২-৩ টন/একর (বার্ষিক)।

  1. গলদা চিংড়ি ও রম্নই মিশ্র চাষের পুকুর        ঃ ৬৭৩ টি (৪৩২.৪২ একর)।
  2. মনোসেক্স তেলাপিয়া খামার                      ঃ ৭১৮ টি (৫০৮.৩৮ একর)।
  3. অর্ধ-নিবিড় খামারে মনোসেক্স তেলাপিয়া উৎপাদনের হার ঃ ৩-৩.৫ টন/একর (বার্ষিক)
  4. খালঃ                                                ঃ ৪৫ টি (৭,৭৭১ একর প্রায়)।
  5. নদীঃ                                                ঃ ৫ টি (১৮,৮৯০ একর প্রায়)।
  6. নিবন্ধিত বাগদা চিংড়ি হ্যাচারি                  ঃ ৪৩ টি।
  7. বার্ষিক বাগদা চিংড়ি পোনা উৎপাদন           ঃ ৮-৯ শত কোটি।
  8. নিবন্ধিত গলদা চিংড়ি হ্যাচারি                   ঃ ০১ টি।
  9. নিবন্ধিত কার্প হ্যাচারি                            ঃ ০৩ টি।
  10. নিবন্ধিত মনোসেক্স তেলাপিয়া হ্যাচারি          ঃ ০৯ টি।
  11. কার্প নার্সারি                                        ঃ ৭৬ টি (৫১.৫৫ একর)।
  12. চিংড়ি ডিপো                                      ঃ ৩৭২ টি।
  13. বরফকল                                            ঃ ৫৯ টি।
  14. মৎস্য/চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা       ঃ ০৬ টি (৩ টি ই.উ. অনুমোদিত)।
  15. শুটকী প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান                ঃ ২০টি (রপ্তানি সংশিস্নষ্ট)।
  16. মৎস্যখাদ্য কারখানা                               ঃ ০১ টি।
  17. মৎস্যখাদ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান            ঃ ১০ টি।
  18. মৎস্যখাদ্য বিক্রয় (পাইকারী) প্রতিষ্ঠান         ঃ ১৭ টি।
  19. মৎস্যখাদ্য বিক্রয়কারী (খুচরা) প্রতিষ্ঠান        ঃ ১২ টি।
  20. যান্ত্রিক মৎস্য নৌযান                              ঃ ৩,৫৪৯ টি।
  21. অযান্ত্রিক মৎস্য নৌযান                           ঃ ১,৬৯১ টি।
  22. সামুদ্রিক মৎস্য অবতরণকেন্দ্র                   ঃ ০১ টি (বিএফডিসি মৎস্য অবতরণকেন্দ্র, নুনিয়ারছড়া, কক্সবাজার)।
  23. মৎস্য ও চিংড়ি চাষি                             ঃ ৪০,০০০ জন (প্রায়)।
  24. নিবন্ধিত জেলে                                     ঃ ৪৮,৩৯৩ জন। 

 

খ. কক্সবাজার জেলার মৎস্য ও চিংড়ি উৎপাদন/আহরণের তথ্য

কক্সবাজার জেলায় বার্ষিক মৎস্য উৎপাদনের মোট পরিমাণ                 ঃ ২,৪৯,০০০ মেট্রিক টন।

সামুদ্রিক উৎস থেকে মৎস্য আহরণের পরিমাণ                               ঃ ১,৪০,০০০ মেট্রিক টন।

চিংড়ির মোট উৎপাদন                                                           ঃ ২৫,০০০ মেট্রিক টন।

আভ্যমত্মরীণ জলাশয় থেকে মৎস্য আহরণ                                    ঃ ৩৮,০০০ মেট্রিক টন।

কক্সবাজার জেলায় ইলিশ আহরণের বার্ষিক পরিমাণ                         ঃ ৩৫,৮০০ মেট্রিক টন।

 

কক্সবাজার জেলায় মৎস্যের বার্ষিক চাহিদা = প্রায় ৬০,০০০ টন ।

 

 

কক্সবাজার জেলায় ২০১৭-১৮ সালে চলতি ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. মাস পর্যমত্ম সময়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদনা চুক্তি

(Annual Performance Agreement) বাসত্মবায়নের অগ্রগতিঃ

 

 

বিবরণ -

প্রদর্শনী খামার স্থাপন

(হেঃ)

আবাসস্থল

উন্নয়ন

(হেঃ)

বিল নার্সারি স্থাপন

(হেঃ)

উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ ( মেঃ টন)

মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী ও উদ্যোক্তাকেপরামর্শ  প্রদান

(টি)

হ্যাচারি নিবন্ধন ও নবায়ন

(টি)

মৎস্যখাদ্য মান পরীক্ষা

(টি)

অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা

(টি)

সর্বমোট

লক্ষ্যমাত্রা

১০

২.৫

১৫৫০

৩৮

২৬

চলতি মাসে অর্জন

০.৮৪

০.২৬৭

১৪০

ক্রমপুঞ্জিত

১.৬৭

০.২৬৭

২.৫

৬৭২

 

 

 

বিবরণ -

মৎস্য উন্নয়নে আইন বাসত্মবায়ন

(টি)

জলবায়ূ সহনশীল মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ

(টি)

মৎস্য আবাসস্থল উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায়  সুফলভোগী সম্পৃক্তকরণ

(জন)

মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি

(জন)

মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী ও অন্যান্য সুফলভোগীদের  প্রশিক্ষণ প্রদান

(জন)

রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে

পরিদর্শন ও পরামর্শ প্রদান

(টি)

১০

১১

১২

১৩

১৪

সর্বমোট

লক্ষ্যমাত্রা

২১০

৪৮০

২২০০

৭৫

চলতি মাসে অর্জন

৫৫

৬৪

ক্রমপুঞ্জিত

২১৮

৬৬

৬২৬

৩৯

 

 

 

কক্সবাজার জেলায় মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকান্ডের বিবরণ

১। জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জেলেদের নিবন্ধন ও

    পরিচয়পত্র বিতরণের বর্তমান পরিস্থিতি (সেপ্টেম্বর/২০১৭খ্রি. পর্যমত্ম আপ-টু-ডেট)ঃ

 

 নং

উপজেলার নাম

নিবন্ধন সম্পন্ন

ছবি তোলা সম্পন্ন-

পরিচয়পত্র বিতরণ -

১।

সদর

৭,১২০  জন

৪,৬৬৫ জন।

২,৩৬৮ টি।

২।

মহেশখালী

১১,৪৪২  জন

৮,১০৫ জন।

৫,৮০৯ টি।

৩।

চকরিয়া

৩,৮৫৭  জন

২,৬১৪ জন।

২,০৮৪ টি।

৪।

টেকনাফ

৭,৮৮৩  জন

৫,৭৩৬ জন।

৪,৩৭২টি।

৫।

উখিয়া

৩,৩৯২  জন

২,৭০০ জন।

১,০৫০ টি।

৬।

রামু

২,২৭৩  জন

১,৯৮৯ জন।

   ৯৬৩ টি।

৭।

পেকুয়া

৩,৯৬৭  জন

২,৬৩৭ জন।

১,৮৩৭ টি।

৮।

কুতুবদীয়া

৮,৪৫৯  জন

৩,১০০ জন।

২,৪৬৪ টি।

 

মোটঃ

৪৮,৩৯৩  জন

৩১,৫৪৬ জন।

২০,৯৪৭ টি।

 

 

এছাড়া এ প্রকল্পের অর্থায়নে মৎস্য আহরণকালে নিহত জেলের পরিবারকে এককালীন আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। ২০১৬-২০১৭ আর্থিক সালে এরূপ স্থানীয় ১৫টি জেলে পরিবারকে ৫০,০০০/- হারে মোট ৭,৫০,০০০/- আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। 

 

 

২। বাংলাদেশ মেরিন ফিশারীজ ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রকল্পের কর্মকান্ডঃ (প্রকল্পটি ১ম পর্যায় সমাপ্ত এবং ২য় পর্যায় প্রক্রিয়াধীন)

কক্সবাজার জেলায় এ প্রকল্পের কার্যক্রম নিমণলিখিত উপজেলাসমূহে বিসত্মৃত-

  1. সদর উপজেলা,
  1. চকরিয়া উপজেলা,
  1. উখিয়া উপজেলা,
  1. মহেশখালী উপজেলা,
  1. টেকনাফ উপজেলা,
  1. কুতুবদীয়া উপজেলা।

 

এ প্রকল্পের আওতায় সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের মজুদ নির্ধারণে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন নির্বাচিত স্থান থেকে নিয়মিত মৎস্য আহরণের তথ্য ও ‘‘অবতরণ-উপাত্ত’’ সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

 

এর বিবরণঃ

 

নং

উপজেলা

উপাত্ত সংগ্রহের স্পট সংখ্যা

উপাত্ত সংগ্রহের মাত্রা

সংগৃহীত উপাত্তের বিবরণ

১।

সদর

২টি

মাসে ৮ দিন

জাল ও নৌযানের তথ্য, মাছের প্রকার, প্রজাতি ও পরিমাণ, দৈর্ঘ্য, ওজন, গোনাডের ওজন, পরিপক্কতার ধাপ ইত্যাদি।

২।

উখিয়া

১টি

মাসে ৮ দিন

জাল ও নৌযানের তথ্য, মাছের প্রকার, প্রজাতি ও পরিমাণ।

৩।

টেকনাফ

৩টি

মাসে ৮ দিন

জাল ও নৌযানের তথ্য, মাছের প্রকার, প্রজাতি ও পরিমাণ, দৈর্ঘ, ওজন, গোনাডের ওজন, পরিপক্কতার ধাপ ইত্যাদি।

৪।

চকরিয়া

১টি

মাসে ৮ দিন

-ঐ-

৫।

মহেশখালী

২টি

মাসে ৮ দিন

-ঐ-

৬।

কুতুবদীয়া

১টি

মাসে ৮ দিন

-ঐ-

 

 

 

৩। বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্প এলাকায় ও অন্যান্য জলাশয়ে সমন্বিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (FCDI)

    এর আওতায় বাসত্মবায়িত কার্যক্রমঃ                

  • মৎস্য চাষের লক্ষ্যে প্রকল্প এলাকার খাস পুকুর, বরোপিট, বদ্ধ খাল ও মরা নদী ইত্যাদি পুনঃখনন ও সংস্কার।

উপজেলা

নং

প্রকল্পের নাম

জলায়তন  (হেক্টর)

ব্যয়িত অর্থ (লক্ষ টাকা)

সুফলভোগীর সংখ্যা

পুরুষ

মহিলা

মোট

মহেশখালী

(২০১৬-১৭)

১।

কুতুবজোম ঘটিভাঙ্গা জববারিয়া বরোপিট পুনঃখনন

০.২৭৭

২.৫

(৫)

১২

২।

বড় মহেশখালী ছোটনোয়া ঘোনা বরোপিট পুনঃখনন

০.২১৪

২.৫

(৫)

১১

৩।

বড় মহেশখালী আনোয়ার বরোপিট পুনঃখনন

০.২২৯

২.৫

(৫)

১২

চকরিয়া

(২০১৬-১৭)

৪।

ঢেঁমুশিয়া ক্রসড্যাম মৎস্যচাষ বরোপিট সম্বলিত প্রকল্প পুনঃখনন (২য় অংশ)

০.৪৩২

৩.০

(৬)

১০

সদর

(২০১৬-১৭)

৫।

চৌফলদন্ডী ইউনিয়নে অবস্থিত চৌফলদন্ডী মৎস্য চাষ পুনঃখনন

০.২৩০

১.০

(৪)

১১

 

 

মোটঃ

১.৩৮২

১১.৫

৩৫

২১

৫৬

  • প্রকল্প এলাকার ভূমিহীন প্রামিত্মক চাষি, গরীব বেকার যুবক, মহিলা এবং মৎস্যচাষে আগ্রহী ব্যক্তির সমন্বয়ে দল গঠন, দলের নিজস্ব তহবিল গঠনের উদ্দেশ্যে সঞ্চয় কার্যক্রমে দলের সদস্যদের সম্পৃক্তকরণ, মাছ চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান, অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান, মাছ চাষ বিষয়ক কার্যক্রমের জন্য তহবিলের ব্যবস্থাকরণ।

 

৪। জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পঃ   

  • মৎস্য চাষের লক্ষ্যে প্রকল্প এলাকার খাস পুকুর, প্রাতিষ্টানিক পুকুর, বদ্ধ খাল ও মরা নদী, ইত্যাদি পুনঃখনন ও সংস্কার।

উপজেলা

নং

প্রকল্পের নাম

জলায়তন  (হেক্টর)

বরাদ্দ কৃত অর্থ (লক্ষ টাকা)

সুফলভোগীর সংখ্যা

পুরম্নষ

মহিলা

মোট

সদর

(২০১৬-১৭)

 

১।

উত্তর মাইজপাড়া জামে মসজিদ পুকুর

০.৭৫

৭.৬

(৭.৬)

১০

২।

পশ্চিম পোকখালী মালমুরা পাড়া জামে মসজিদ  পুকুর

০.৪৫

(৪)

০৭

 

 

মোটঃ

১.২০

১১.৬

১০

১৭

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

৫। ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পঃ

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া, পেকুয়া এবং উখিয়া উপজেলায় এ প্রকল্পের আওতায় ২২ জন লীফ নিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রকল্পের অর্থায়নে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। কক্সবাজারের পিসিআর ল্যাবরেটরীকে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ডরমিটরীতে পরিণত করা হয়েছে। উক্ত প্রকল্প থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত ৭৫ জন ক্ষেত্র সহকারীকে ১০ দিন মেয়াদী দক্ষতা/বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ২০১৭-১৮ আর্থিক সালেও প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।

 

৬। বাংলাদেশের নির্বাচিত এলাকায় কুচিয়া ও কাঁকড়ার চাষ এবং গবেষণা প্রকল্পঃ

  • কক্সবাজার জেলার একমাত্র সদর উপজেলায় কার্যক্রম বাসত্মবায়িত হচ্ছে।
  • সুফলভোগী নির্বাচনের প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়েছে।
  • চলতি মাস পর্যমত্ম ৭ টি প্রদর্শনী খামার স্থাপন করা হয়েছে।
  • প্রকল্পের অর্থায়নে ২০ জন চাষীকে কাঁকড়া মোটাতাজাকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

 

৭। জাতীয় কৃষি প্রযুক্তি প্রকল্প (এনটিপি) মৎস্য অধিদপ্তর অংশঃ

  • কক্সবাজার জেলার একমাত্র কুতুবদিয়া উপজেলায় কার্যক্রম বাসত্মবায়িত হচ্ছে।
  • উপজেলায় এ প্রকল্পের আওতায় ০৬ জন লীফ নিয়োগ করা হয়েছে ।
  • এ প্রকল্পের আওতায় ১২ টি সমিতি (০৬ পুরম্নষ ও ০৬ মহিলা) গঠন করা হয়েছে ।
  • সমিতির নামে ১২ টি ব্যাংক একাউন্ট করা হয়েছে ।

 

কক্সবাজার জেলায় ২০১৭-১৮ সালে বাসত্মবায়িত মৎস্য উন্নয়ন বিষয়ক অন্যান্য কর্মকান্ড

 

১। রম্নই জাতীয় মাছের পোনা বিতরণ কার্যক্রমঃ

সরকারের রাজস্ব অর্থে রম্নই জাতীয় মাছের পোনা বিতরণ কার্যক্রমের আওতায় ২০১৭-১৮ সালে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে রম্নই জাতীয় মাছের পোনা বিতরণের উপজেলা ভিত্তিক তথ্যঃ 

 

নং

উপজেলা

জলাশয়ের সংখ্যা (টি)

জলায়তন (হেক্টর)

 পোনার সংখ্যা

(টি)

 পোনার ওজন (কেজি)

পোনার মূল্য (টাকা)

সুফলভোগীর সংখ্যা (জন)

১.

সদর

৫২

১৭.৩৫

২৮,০০০

৪০০

১,৫০,০০০/-

৩,২৮০

২.

উখিয়া

৭৭

১৪.৪০

২২,৫০০

৩৭৫

১,৫০,০০০/-

৩,৩৯৫

৩.

পেকুয়া

৪৩

৬.৯৯

২৮,০০০

৪০৬

১,৫০,০০০/-

১১,২৯০

৪.

মহেশখালী

৬১

৩১.৬৪

১৭,৫০০

৩৪২.৫

১,৫০,০০০/-

৩,০০০

৫.

চকরিয়া

৪৪

১৬.৫৬

৩০,৮৮০

৪২৯

১,৫০,০০০/-

৩০,০০০

৬.

টেকনাফ

৫৮

১৬.১২

২৪,০০০

৩৭৫

১,৫০,০০০/-

৫,৭৫০

৭.

রামু

৯৭

১৮.০৫

২৩,৭০০

৩৯৫

১,৫০,০০০/-

৫,৫০০

৮.

কুতুবদীয়া

৫৬

২০.৪১

২১,০০০

৩০৭

১,৫০,০০০/-

২২,৯১৮

 

মোটঃ

৪৮৮

১৪১.৫২

১,৯৫,৫৮০

৩০২৯.৫

৯,০০,০০০/-

৮৫,১৩৩

 

২। মা-ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রমঃ

প্রধান প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা ইলিশ মাছ রক্ষার উদ্দেশ্যে ২০১৭ সালের ০১ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যমত্ম ২২ দিন ব্যাপী সারাদেশে মা ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিক্রয় ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হয়। এ কার্যক্রমের আওতায় কক্সবাজার জেলায় গৃহীত ব্যবস্থাদির উপজেলা ভিত্তিক তথ্য (১৩/১০/২০১৭খ্রি. পর্যমত্ম)ঃ

 

ক্র:নং

জেলার নাম

অভিযান

মোবাইল কোর্ট

ল্যান্ডিং সেন্টার পরিদর্শন

মাছঘাট পরিদর্শন

আড়ত পরিদর্শন

বাজার পরিদর্শন

আটককৃত ইলিশ (টন)

আটককৃত জাল

(লক্ষ মিটার)

মামলা সংখ্যা

১.

কক্সবাজার 

১৫১

১২৫

২৫২

৩২০

৪৬৯

০.০০৪

২.১০৭২২

মোটঃ

১৮১

১২৫

২৫২

৩২০

৪৬৯

০.০০৪

২.১০৭২২

 

 

 

 

 

 

 

 

কক্সবাজার জেলায় উক্ত কার্যক্রম পরিচালনার বিশেষত্ব সমূহঃ

  1. পূর্ব থেকে ব্যাপক প্রচারণার ফলে কক্সবাজার জেলার আপামর জনসাধারণ এ বিষয়ে বিশেষভাবে অবহিত ছিলেন এবং এ কার্যক্রমের প্রতি ব্যাপক জনগোষ্ঠীর নৈতিক সমর্থন ছিল বিধায় কর্মসূচী চলাকালে সর্বসত্মরের জনগণের ব্যাপক সমর্থন ও অংশগ্রহণ ছিল।
  2. জেলার মৎস্যজীবী, ফিশিংবোট মালিক, বরফকলের মালিক, জ্বালানী-তৈল সরবরাহকারী, মৎস্য আড়তদার, মৎস্য বিক্রেতা এবং স্থানীয় বাজার কমিটির সদস্যবৃন্দ উক্ত কর্মসূচী বাসত্মবায়নে সক্রিয়ভাবে সহায়তা প্রদান করেছেন। এছাড়া কর্মসূচী বাসত্মবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ বিভাগসহ সংশিস্নষ্ট সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে কর্মকান্ডের সমন্বয় ছিল।

 

  1. মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং জেলা ফিশিংবোট মালিক সমিতির যৌথ চেকপোস্ট বাঁকখালী নদীর মোহনায় সার্বক্ষণিক প্রহরায় ছিল। অধিকন্তু মৎস্য অধিদপ্তরীয় কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে কক্সবাজার জেলাস্থ কোস্টগার্ডের ০৯ (নয়)টি স্টেশনের মধ্যে সমন্বয় করে উপকূল ও মোহনাঞ্চলে নিয়মিত নিবিড় মনিটরিং থাকায় কোন ফিশিংবোট মৎস্য আহরণে সমুদ্রে গমন করেনি। ২২ দিনব্যাপী কর্মসূচী চলাকালীন সময়ে মৎস্য আহরণরত বা আহরণোত্তর অবস্থায় কোন ফিশিংবোট বা মৎস্যজীবী ধৃত হয়নি বিধায় মাছ আটক, জেল বা জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। 
  2. মহেশখালী থেকে উত্তর-কুতুবদীয়া গন্ডামারা পয়েন্ট পর্যমত্ম সমুদ্র ও উপকূলবর্তী এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টহল জাহাজ মোতায়েন ছিল। উক্ত এলাকায় মৎস্য অধিদপ্তরের সাথে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
  3. স্থানীয় অধিকাংশ বরফকল বন্ধ ছিল। চিংড়ি ও অন্যান্য মৎস্য সংরক্ষণের জন্য স্থানীয় জেলা/উপজেলা মৎস্য দপ্তর থেকে অগ্রীম অনুমতিপত্র সংগ্রহপূর্বক বরফ পরিবহন ও ব্যবহার করা হয়েছে।
  4. কক্সবাজার জেলায় সদর সহ প্রতিটি উপজেলায় গঠিত বিশেষ টিম কর্তৃক নিয়মিতভাবে সকল স্থানীয় হাটবাজার, আড়ত, অবতরণকেন্দ্র, মাছঘাট, হিমাগার, বরফকল ইত্যাদি পরিদর্শন করা হয়েছে।
  5. স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং আটককৃত কারেন্টজাল ও অন্যান্য জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।

 

৩। মৎস্য হ্যাচারি আইন ২০১০ এর আওতায় হ্যাচারি নিবন্ধন কার্যক্রমঃ

উক্ত আইনের আওতায় চিংড়ি, কার্পজাতীয় ও তেলাপিয়া মাছের হ্যাচারিসমূহকে নিবন্ধনের আওতায় এনে সনদ প্রদান ও নবায়ন করা হয়, উক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়মিত পরিদর্শন করা হয় এবং উৎপাদিত পোনার মান রক্ষার নিমিত্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আগষ্ট/২০১৭খ্রি. পর্যমত্ম সময়ে কক্সবাজার জেলায় উক্ত আইনের আওতায় চিংড়ি/মৎস্য হ্যাচারি নিবন্ধনের তথ্য নিমণরূপ - 

 

নং

প্রতিষ্ঠানের বিবরণ

মোট সংখ্যা

চালু প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা

নিবন্ধনকৃত

১।

বাগদা চিংড়ি হ্যাচারি

৪৩

৩৬

৪৩

২।

গলদা চিংড়ি হ্যাচারি

৩।

মনোসেক্স তেলাপিয়া হ্যাচারি

১০

১০

৪।

কার্প হ্যাচারি

 

 

৪। মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন ২০১০ বাসত্মবায়নঃ

উক্ত আইনের আওতায় মৎস্যখাদ্য উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন করা হয়, উক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়মিত পরিদর্শন করা হয় এবং মৎস্যখাদ্যের নমুনা সংগ্রহপূর্বক পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ২০১৭-১৮ সালে কক্সবাজার জেলায় উক্ত আইনের আওতায় লাইসেন্স প্রদানের তথ্য নিমণরূপ -   

 

নং

প্রতিষ্ঠানের বিবরণ

মোট সংখ্যা

লাইসেন্সকৃত

১।

মৎস্য খাদ্য প্রস্ত্ততকারী কারখানা

২।

মৎস্য খাদ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান

১০

১০

৩।

পাইকারি মৎস্য খাদ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান

১৭

১৭

৪।

খুচরা মৎস্য খাদ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান

১২

১২

 

 

৫। কক্সবাজার জেলায় মৎস্য খাতে ঋণ বিতরণ ও আদায়ের ২০১৭-১৮ সালের তথ্যঃ  

  • প্রকল্পের সুফলভোগীর সংখ্যা ঃ ৪৮৫ জন।
  • বিতরণকৃত ঋণ                  ঃ ৫৯.৫৫ লক্ষ টাকা।
  • আদায়কৃত ঋণ                   ঃ ৪০.০৭ লক্ষ টাকা।
  • আদায়ের হার                     ঃ ৬৭.৪১ %।

 

 

৬। পি.সি.আর. ল্যাবরেটরী পরিচালনাঃ

চিংড়িতে ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তকরণ এবং চাষিদের ভাইরাসমুক্ত বাগদা চিংড়ি পি.এল. প্রাপ্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার সদরে অবস্থিত কলাতলী হ্যাচারি জোনে মৎস্য অধিদপ্তরের পি.সি.আর. ল্যাবরেটরী স্থাপিত হয়েছে। বাগদা চিংড়ি হ্যাচারি ও খামারের চিংড়ি বা পি,এল. এর ভাইরাস সনাক্তকরণের কাজে বর্তমানে এ ল্যাবরেটরী থেকে স্থানীয় হ্যাচারি মালিক ও চিংড়ি চাষিদের নিয়মিত সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

 

৭। SPF মাদার চিংড়ি উন্নয়ন কার্যক্রমঃ

চিংড়ি সম্পদকে ভাইরাসমুক্ত করার উদ্দেশ্যে ভাইরাসমুক্ত চিংড়ি পোনা উৎপাদনের নিমিত্ত ভাইরাসমুক্ত মাদার চিংড়ির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই থেকে ভাইরাসমুক্ত SPF (Specific Pathogen Free) মাদার চিংড়ি আমদানি করে এর উন্নয়নের জন্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় একটি চিংড়ি হ্যাচারিকে অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের নিবিড় মনিটরিং এ সম্প্রতি উক্ত হ্যাচারিতে ২য় প্রজন্মের পোনা থেকে মাদার চিংড়ি উন্নয়নের কাজ চলছে। এর পাশাপাশি উক্ত কার্যক্রমের আওতায় উৎপাদিত ভাইরাসমুক্ত SPF চিংড়ি পি.এল বিভিন্ন অর্ধ-নিবিড় চিংড়ি খামারে সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব খামারের উৎপাদন কার্যক্রম বর্তমানে স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তরের মনিটরিং এর আওতায় রয়েছে।

 

৮। উপকূলীয় অর্ধ-লবণাক্ত পানিতে বাগদা চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনাঃ

কক্সবাজার জেলায়  উপকূলীয় অর্ধ-লবণাক্ত পানিতে বাগদা চিংড়ির চাষ স্থানীয় জনজীবনে গুরম্নত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকান্ড এবং কর্মসংস্থানের একটি অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। এ এলাকায় খামারে একক বাগদা চিংড়ি চাষের পাশাপাশি ধানক্ষেতে বাগদা চিংড়ি চাষ এবং লবণ চাষের জমিতে বাগদা চিংড়ি চাষের প্রচলন রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের সহায়তায় চিরমত্মনী সনাতন পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে এ জেলায় সম্প্রতি উন্নত-সম্প্রসারিত ও অর্ধ-নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষের প্রতি সাধারন চাষিদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। হেক্টারপ্রতি বার্ষিক উৎপাদনও ৩০০/৪০০ কেজি থেকে ইতোমধ্যে ৮,০০০ কেজিতে উন্নীত হয়েছে।   

 

 

৯। নিরাপদ ও মানসম্মত শুটকী উৎপাদনঃ

‘‘শুটকীমাছ’’ কক্সবাজার জেলার একটি অন্যতম অর্থনৈতিক পণ্য। নিরাপদ ও মানসম্মত শুটকী উৎপাদনে স্থানীয়ভাবে মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন সম্প্রসারণমূলক কর্মকান্ড রয়েছে। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা সৃষ্টি, মূলধন সংগ্রহে সহায়তা ইত্যাদি অন্যতম। মৎস্য অধিদপ্তরের প্রযুক্তিগত ও সম্প্রসারণ সহায়তায় এ সেক্টারটি উত্তরোত্তর আরো উন্নত হওয়ার আশা রয়েছে।   

 

১০। সামুদ্রিক মৎস্য নৌযানের লাইসেন্স প্রদান এবং সামুদ্রিক মৎস্য আইন বাসত্মবায়নঃ

কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম সামুদ্রিক বেলাভূমি সংলগ্ন উপকূলবর্তী অগভীর জলরাশি বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য ও চিংড়ির চারণভূমি। বিপুল সংখ্যক যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক নৌযান প্রতিনিয়ত এ জলাভূমি থেকে প্রচুর পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ ও চিংড়ি আহরণ করে থাকে। কক্সবাজার জেলা সদরে অবস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য অবতরনকেন্দ্র সারাদেশের বৃহৎ অবতরন কেন্দ্র সমূহের মধ্যে অন্যতম। স্থানীয়ভাবে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণের সাথে জড়িত মৎস্যজীবিগোষ্ঠি কর্তৃক সামুদ্রিক মৎস্য আইন বাসত্মবায়ন, বৈধ সরঞ্জাম ব্যবহার এবং অবৈধ সরঞ্জাম পরিহার, নৌযানের লাইসেন্স করা ও মেয়াদ-উত্তীর্ণ লাইসেন্স নবায়ন করা ইত্যাদি স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তরের অন্যতম গুরম্নত্বপূর্ণ কার্যক্রমের অংশ। এ কার্যক্রমের আওতায়  চলতি ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে আগষ্ট/২০১৭ পর্যমত্ম সময়ে কক্সবাজার জেলায় ৬ টি লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে।  

 

১১। টেকনাফ বন্দরে মায়ানমার থেকে আমদানিকৃত মৎস্য ও মৎস্যপণ্যে নিয়মিত ফরমালিনের উপস্থিতি পরীক্ষাঃ

মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আমদানিকৃত মৎস্য পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, বিশেষতঃ উক্ত আমদানিকৃত মৎস্য পণ্যে ফরমালিনের উপস্থিতি পরীক্ষা করে সনদ প্রদান মৎস্য অধিদপ্তরের একটি গুরম্নত্বপূর্ণ দায়িত্ব। উক্ত কার্যক্রমের বিসত্মারিত তথ্য নিমণরূপ -   

নং

বিবরণ

জুলাই/১৬ খ্রি. থেকে জুন/১৭ খ্রি. পর্যমত্ম

জুলাই/১৭ থেকে সেপ্টেম্বর/১৭খ্রি. পর্যমত্ম

১।

রম্নই জাতীয় মাছ আমদানি

২,৪২১.৯২০ মে.টন।

১৬০৩.৩২৭ মে.টন

২।

ইলিশ মাছ আমদানি

৯৯৩.৪২৭ মে.টন।

৮৫.৫৯৩ মে.টন

৩।

ইচরি-মোলা শুটকি আমদানি

৫৮০৩.৩৩৬ মে.টন।

২৭১.৯৬০ মে.টন

৪।

কনসাইনমেন্ট অনুযায়ী ফরমালিন পরীক্ষা

১৪০ টি।

৮ টি

৫।

ফরমালিনের উপস্থিতি শনাক্ত

×

×

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

১২। মৎস্য সংরক্ষণ আইন ও সামুদ্রিক মৎস্য আইন বাসত্মবায়নঃ

মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে বিভিন্ন মৎস্য আইন বাসত্মবায়নের কার্যক্রম সমন্বয় করা মৎস্য অধিদপ্তরের উপরে আরোপিত গুরম্নত্বপূর্ণ দায়িত্ব সমূহের অমত্মর্ভূক্ত। এ কর্মকান্ডের মধ্যে সম্প্রসারণ, গণসচেতনতা সৃষ্টিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা, লিফলেট/পোষ্টার/ প্রচারপত্র বিতরণ ইত্যাদি কার্যক্রম রয়েছে। তাছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, বাংলাদেশ কেস্টগার্ড, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ইত্যাদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও মোবাইলকোর্ট ইত্যাদি পরিচালনা করা হয়ে থাকে। বাসত্মবায়নাধীন বিভিন্ন মৎস্যআইনের মধ্যে রয়েছে-  

  1. প্রাকৃতিক উৎস থেকে চিংড়ি পোনা নিধন প্রতিরোধ।
  2. প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যমত্ম জাটকা আহরণ, পরিবহন, বিক্রয়, বিতরণ প্রতিরোধ।
  3. কারেন্টজাল ব্যবহার, উৎপাদন, বিক্রয়, পরিবহন ইত্যাদি প্রতিরোধ।
  4. পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুরমাছ উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিরোধ।
  5. উপকূলীয় বেহুন্দিজাল ব্যবহার প্রতিরোধ।
  6. মৎস্যপণ্যে ফরমালিন বা অনুরূপ বিষাক্ত রাসায়নিক সামগ্রি ব্যবহার প্রতিরোধ ইত্যাদি।       

 

১৩। মৎস্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনাঃ

মৎস্য বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারণমূলক কর্মকান্ডের মধ্যে অত্যমত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ। সরকারের রাজস্ব অর্থে এবং বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থায়নে কক্সবাজার জেলায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয়ের উপরে চাষি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে-  

  1. রম্নইজাতীয় মাছের মিশ্র চাষ।
  2. মনোসেক্স তেলাপিয়ার হ্যাচারি, নার্সারি ও চাষ ব্যবস্থাপনা।
  3. গলদা ও বাগদা চিংড়ির হ্যাচারি, নার্সারি এবং পরিবেশবান্ধব চাষ ব্যবস্থাপনা।
  4. চিংড়ির আহরণোত্তর পরিচর্যা।
  5. কাঁকড়া চাষ ব্যবস্থাপনা।
  6. নিরাপদ শুটকী উৎপাদনের পদ্ধতি।
  7. দায়িত্বশীল মৎস্য আহরণের নীতিমালা।     

 

 

 

১৪। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপনঃ

মৎস্য চাষ এবং মৎস্য সংরক্ষণের নীতিমালার সাথে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে মৎস্য উন্নয়ন বিষয়ক কার্যক্রমকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার বৃহত্তর উদ্দেশ্যে প্রতিবছর নির্দিষ্ট একটি সপ্তাহকে ‘‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ’’ হিসেবে উদযাপন করা হয়। উক্ত সপ্তাহে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে মৎস্য উন্নয়ন বিষয়ক কার্যক্রমে সার্বিক জনসাধারনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।   

 

১৫। অন্যান্য মৎস্য সম্প্রসারণ মূলক কার্যক্রমঃ

মৎস্য উন্নয়ন বিষয়ক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করাই মৎস্য অধিদপ্তরের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। লাগসই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে মৎস্য উন্নয়নের গতিধারা সচল রাখার উদ্দেশ্যে যেসব উলেস্নখযোগ্য কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হয়ে থাকে, এর মধ্যে রয়েছে -

  1. মৎস্য/চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ মূলক পরামর্শ-সেবা প্রদান।
  2. খামার/পুকুর পরিদর্শন-সেবা প্রদান।
  3. খামারের মাটি ও পানি পরীক্ষা।
  4. তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সেবা প্রদান।
  5. প্রশিক্ষণ/কর্মশালা/সেমিনার/সভা অনুষ্ঠান।
  6. প্রদর্শনী মৎস্য/চিংড়ি খামার স্থাপন।
  7. মেলা/প্রদর্শনী অনুষ্ঠান।
  8. অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর।
  9. সম্প্রসারণ মূলক প্রচারপত্র/লিফলেট/বুকলেট/পোষ্টার বিতরণ ইত্যাদি।

 

১৬। বরফকল এবং মৎস্য/চিংড়ি ডিপো/আড়ত ইত্যাদির কার্যক্রম মনিটরিং এবং উৎপাদিত পণ্যের মাননিয়ন্ত্রণঃ

কক্সবাজার জেলায় ৫৯টি বরফকল, ৩৭২টি মৎস্য/চিংড়ি ডিপো এবং ৬টি মৎস্য/চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ কারখানা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের উপরে মৎস্য/চিংড়ি পণ্যের মাননিয়ন্ত্রণ নির্ভর করে। চট্টগ্রামস্থ মৎস্য অধিদপ্তরাধীন মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ দপ্তর কর্তৃক এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স প্রদান করা হয়। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করার দায়িত্ব স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তরীয় দপ্তর সমূহের উপরে ন্যসত্ম। তাই স্থানীয় মৎস্য দপ্তর সমূহ কর্তৃক এসব প্রতিষ্ঠান মৎস্য ও মৎস্যপণ্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী পরিচালনার কাজ মনিটরিং করা হয়।

 

 

 

১৭। সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ জরীপ ব্যবস্থাপনা ইউনিট (ল্যান্ডিং ডাটা সংগ্রহ ও জরীপ কার্যক্রম)ঃ

বাংলাদেশ মেরিন ফিশারীজ ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রকল্পের কর্মকান্ড ছাড়াও কক্সবাজারে অবস্থিত মৎস্য অধিদপ্তরের সামুদ্রিক মৎস্য জরীপ ব্যবস্থা ইউনিটের সাহায্যে কক্সবাজার জেলার ৬টি স্থান থেকে নিয়মিত ল্যান্ডিং-ডাটা সংগ্রহ করে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের মজুদ নির্ধারণের কাজে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও উক্ত ইউনিটের তত্ত্বাবধানে কক্সবাজার জেলা সদরে দুষ্প্রাপ্য সামুদ্রিক মৎস্য প্রজাতির একটি যাদুঘর রয়েছে।

 

১৮। ১০ ও ১১ একর চিংড়ি এস্টেট ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম বাসত্মবায়নঃ

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলাধীন রামপুর মৌজায় মৎস্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন ৭,০০০ একর জমিতে ১০ একর বিশিষ্ট ৩৪২টি, ১১ একর বিশিষ্ট ১১৯টি, ৩০ একর বিশিষ্ট ৩২টি এবং ৩০০ একর বিশিষ্ট ১টি চিংড়ি পস্নট সম্প্রতি ৫২৩ জন চিংড়ি চাষি/সমিতি/কোম্পানির নিকট ৩য় বার ২০ বৎসর মেয়াদে ইজারা প্রদানের মেয়াদ নবায়নের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

উক্ত চিংড়ি পস্নট সমূহে মৎস্য অধিদপ্তরের প্রশাসনিক ও রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রমের পাশাপাশি উন্নত পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

 

১৯। কক্সবাজার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মৎস্য অধিদপ্তরের জনবলের পরিস্থিতিঃ

 

ইং

দপ্তর

১ম শ্রেণি

২য় শ্রেণি

৩য় শ্রেণি

৪র্থ শ্রেণি

মোট

মোট পদ

কর্ম

রত

শূন্য পদ

মোট পদ

কর্মরত

শূন্য পদ

মোট পদ

কর্মরত

শূন্য পদ

মোট পদ

কর্ম

রত

শূন্য পদ

মোট পদ

কর্ম

রত

শূন্য পদ

১০

১১

১২

১৩

১৪

১৫

১৬

১৭

১.

জেলা দপ্তর

১১

২.

সদর উপজেলা

৩.

চকরিয়া

৪.

মহেশখালী

৫.

পেকুয়া

৬.

টেকনাফ

৭.

উখিয়া

৮.

রামু

৯.

কুতুবদিয়া

        মোটঃ

১৯

১১

১০

২০

১৬

১০

৫৯

৩১

২৮

 


 

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter